• মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
Logo
                               
শিরোনাম:

দুই দিনের সফরে টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টারঃ / ৩২ বার ভিজিট
আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৩

এফএনএস: দশমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে প্রথমবারের মত দুই দিনের সফরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন। টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহাপাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেবেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা ও পারিবারের সদস্যদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে তিনি ব্যগিÍগত সফরে সড়কপথে খুলনায় যাবেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা টুঙ্গিপাড়ায় রাত্রিযাপন করবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। আগামীকাল শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে নবগঠিত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহাপাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেবেন। এরপর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার‌্যালয়ে নবগঠিত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার‌্যনির্বাহী কমিটির প্রথম বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলার ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এসব উন্নয়ন কর্মকা-ের উদ্বোধনের ফলে এলাকার মানুষের নাগরিক ও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হওয়ায় খুশি গোপালগঞ্জবাসী। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৭ জানুয়ারি টুঙ্গিপাড়ায় উপস্থিত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আর একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৮টি প্রকল্পের মধ্যে ১৯টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। বাকি ৯টি প্রকল্প শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, গণপূর্ত বিভাগ ও টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা বাস্তবায়ন করেছে। উন্নয়ন প্রকল্পগুলো হলো- টুঙ্গিপাড়ায় মধুমতি নদীতে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল বোট ল্যান্ডিং র‌্যাম্প, টুঙ্গিপাড়া লঞ্চঘাটে বাঘিয়ার নদীর পাড়ে বোট ল্যান্ডিং র‌্যাম্প, পাটগাতি ইউনিয়ন ভূমি অফিস, পাটগাতি শ্মশান উন্নয়ন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, কুশলী জাট জিসি-ধারাবাশাইল ভায়া মিত্রডাঙ্গা-সোনাখারী সড়কে ১৩০৪০ মিটার চেইনেজে তারাইল খালের ওপর ৪৫ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, তারাইল জসি-টুঙ্গিপাড়া হেড কোয়ার্টার ভায়া নারায়ণখালী সড়ক ইউনি ব্লক দ্বারা উন্নয়ন চেইন: ০০-৪৩৪০ মিটার, কোটালীপাড়া উপজেলার বান্ধাবাড়ী ইউপিসি-জহরেরকান্দি বাজার সড়কে ৫ মিটার চেইনেজে ৩০ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, হরিণাহাটি বাজার-রাজাপুর উচ্চবিদ্যালয় সড়কে ১০ মিটার চেইনেজে ৬০ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, পিঞ্জুরী-সোনাখালি ভায়া চেয়ারম্যান বাজার সড়কে ১০১০০ মিটার চেইনেজে ৪২ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, পিঞ্জুরী-সোনাখালি ভায়া চেয়ারম্যান বাজার সড়কে ৮৫৫০ মিটার চেইনেজে ২৪ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, কলাবাড়ী বাসস্ট্যান্ড-রাধাকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়-কালিগঞ্জ বাজার সড়কে ৫০০ মিটার চেইনেজে ৪৫ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, মাঝবাড়ী আরএইডি-রাধাগঞ্জ বাজার সড়কে ২১০০ মিটার চেইনেজে ২৪ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, কোটালীপাড়া পারকোনা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল মন্দির, মাঝবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ত্রিপল্লী শেখ আবু নাসের উচ্চবিদ্যালয় টুঙ্গিপাড়ার অ্যাকাডেমিক ভবন উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, রাধাকান্ত উচ্চবিদ্যালয় কোটালীপাড়া ৪ তলা অ্যাকাডেমিক ভবন, টুঙ্গিপাড়া পৌর বাস টার্মিনাল, জেলা প্রশাসন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবন, ৬ তলা বিশিষ্ট পৌর সুপার মার্কেট, কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ, মেরামত এবং নবরূপায়ন, গোপালগঞ্জ শেখ লুৎফর রহমান গ্রন্থগার ও গবেষণা কেন্দ্র, পূর্ব উত্তর কোটালীপাড়া দারুছুন্নাহ সালেহিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ৪তলা অ্যাকাডেমিক ভবন, স্বাধীনতা সদর ডাক বাংলো, পাটগাতী জিসি থেকে বাঁশবাড়িয়া জিসি সড়কের ৫০১৪ মিটার চেইনেজে ২২৫ মিটার পিসি গার্ডার ব্রিজ, বাঁশবাড়িয়া ঝনঝনিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা মসজিদ কমপ্লেক্স, টুপুরিয়া আরঅ্যান্ডএইচ-ধোরার জিপিএস সড়কে ০০ মিটার চেইনেজে ৪৫ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, মাঝবাড়ী আরঅ্যান্ডএইচ-রাধাগঞ্জ বাজার সড়কে ৬৭০০ চেইনেজে ৯০ মিটার পিএসসি গার্ডার ব্রিজ। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকা- এবং ধোয়ামোছা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ হয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নবগঠিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের টুঙ্গিপাড়ায় আগমনকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। টুঙ্গিপাড়া ও বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। টুঙ্গিপাড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সাইফুল ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দশমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় টুঙ্গিপাড়া তথা সারাদেশে নেতাকর্মীরা খুশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়া আসছেন এতে দলের নেতাকর্মীরা উজ্জ্বীবিত। আমরা চাই শেখ হাসিনা আমৃত্যু এই দায়িত্বে থাকবেন। তাহলে দল ও দেশ উপকৃত হবে। টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল শেখ বলেন, শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে নবগঠিত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহাপাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। এরপর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার‌্যালয়ে নবগঠিত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার‌্যনির্বাহী কমিটির প্রথম বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন। গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাহাব উদ্দিন আজম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর এ দু’দিনের সফর সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি কাজ করছেন। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া আসবেন আর শনিবার নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে টু্ঙ্িগপাড়া আসবেন। এদিন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভাও টুঙ্গিপাড়ায় অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া এ সফরে প্রধানমন্ত্রী ২৭ উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন এবং একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
খুলনা সফর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় রয়েছে চার বিঘা জমি। পাকিস্তান আমলে কেনা এই সম্পত্তিতে রয়েছে বিশাল গোডাউন, যা এখন ‘শেখ হাসিনার গোডাউন’ নামে পরিচিত। এই জমি দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার ব্যক্তিগত সফরে খুলনায় যাচ্ছেন। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে তিনি সড়কপথে খুলনায় যাবেন বলে জানা গেছে। তবে এই সফরে তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকা-ে অংশ নেবেন কী না তা জানা যায়নি। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে গত মঙ্গলবার খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুর্শেদী ও খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফিনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা জমিটি পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরটা একেবারেই ব্যক্তিগত। দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ নাও করতে পারেন তিনি। সূত্র জানায়, পাকিস্তান আমলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেছার নামে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ভৈরব নদীর তীরে নগরঘাটা এলাকায় চার বিঘা জমি কিনেছিলেন। পরবর্তীতে ওই জমিতে নির্মাণ করা হয় পাট গোডাউন যা বর্তমানে শেখ হাসিনার গোডাউন নামে পরিচিতি লাভ করেছে। জানা যায়, দিঘলিয়ায় এই চার বিঘা জমির কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও জানতেন না। ২০০৭ সালে শেখ হাসিনা তার ব্যক্তিগত আইনজীবীর মাধ্যমে এই জমির কথা জানতে পারেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবদ্দশায় পাটের গুদাম ও এক কক্ষবিশিষ্ট একটি আধাপাকা ঘর ছিল এই জমিতে। এই পাট গুদাম দেখাশোনা করতেন বঙ্গবন্ধুর ছোটভাই শেখ আবু নাসের। ভাইয়ের জমি দেখাশুনার পাশাপাশি শেখ আবু নাসের একসময় এখানেই তার ব্যবসা সম্প্রসারণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সম্পত্তির মালিকানা পান। স্থানীয় আবদুল কাইয়ুমের ছেলে শেখ আবু বকর পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রায় ২০ বছর এই জমিতে বসবাস ও দেখাশোনার কাজ করেছেন। বর্তমানে জাহিদুল ইসলাম নামে একজন এই সম্পত্তি দেখাশোনা করছেন। তিনি এক যুগের বেশি সময় ধরে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের মাধ্যমে এই দায়িত্ব পান। পুরোনো সেই গুদামঘর ভেঙে নতুন আধুনিক গুদামঘর নির্মাণ করা হয়েছে এবং নদী তীরে একটি রেস্টহাউজ নির্মাণ করা হয়েছে। নগরঘাট-দিঘলিয়া প্রধান সড়কের পাশ দিয়ে গোডাউনের যে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে তার নাম দেওয়া হয়েছে শেখ রাসেল সড়ক। ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত আদমজী জুট মিলের গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করা হয় এটি। এরপর নরসিংদীর একটি পাটকলের গুদাম হিসেবে কিছুদিন ব্যাবহার করা হয়। ২০০৭ সালে খুলনার জুয়েল এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে গোডাউনটি ভাড়া দেওয়া হয়। এই সম্পত্তির তৎকালীন কেয়ারটেকার আবু বকর এই জমিতে উৎপাদিত নারিকেল, কলা, বিভিন্ন রকমের সবজিসহ বিভিন্ন ফলমূল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠিয়েছিলেন। দিঘলিয়ার সঙ্গে সেই পাকিস্তান আমল থেকে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুলনা সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফিন। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার খুলনায় আসবেন।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (রাত ১২:৩৮)
  • ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
  • ৯ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি
  • ১৭ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (শীতকাল)