• মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
Logo
                               
শিরোনাম:

ফ্রি ফায়ার-পাবজি আসক্তি, বই বিমুখ যশোরের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা

আব্দুল জলিল / ৩৭ বার ভিজিট
আপডেটঃ মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৩

দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলীয় বিভিন্ন উপজেলা গুলেতে ফ্রি ফায়ার-পাবজি আসক্তি, বই বিমুখ কোমল মতি শিক্ষার্থীরা। জানা যায় যে যশোরের বিভিন্ন উপজেলার অধিকাংশ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা তারা বিভিন্ন সময় স্কুল কলেজ ফাঁকি দিয়ে এ সমস্ত ফ্রী ফায়ার ও ঢ়ঁনম গেম খেলে থাকে। এর অন্যতম কারণ সপ্তাহে দুদিন স্কুল বন্ধ ও বছরে অতিরিক্ত ছুটি থাকার কারণ। একদিকে অবসর অন্যদিকে অনলাইনের অবাধ ব্যবহার উঠতি বয়সী ছাত্র-ছাত্রীদের টেনে নিয়ে যাচ্ছে ফ্রি ফায়ার বা পাবজি নামক গেমের আসক্তিতে। গেম দুইটি যুব সমাজের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় ধীরে ধীরে তাদের ভয়ঙ্কর ভবিষ্যতের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ব্যয়বহুল এই গেমস দুইটি হয়ে উঠেছে বই বিমুখ ছাত্রদের অবসর বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দু। অনেক অভিভাবকের অভিযোগ, ফ্রি ফায়ার গেমে আসক্তদের খাওয়া-ঘুম তো নেই-ই বরং তাদের সময় নেই কারোর সঙ্গে গল্প বা কথা বলার।এভাবে চললে তারা শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে উঠতে পারে। তাছাড়া ফ্রি ফায়ারে ব্যবহৃত বিভিন্ন চরিত্র ও অস্ত্র ব্যবহৃত হয়, যা সম্পর্কে অনেক পেশাদার সন্ত্রাসীরাও ওয়াকিবহাল নয়। এই খেলার এক একটা চরিত্র কিনতে অন্তত ৪০০-৫০০ টাকা খরচ করতে হয় তাদের। এই অর্থ তারা কোথা থেকে সংগ্রহ করে তা নিয়েও আতঙ্কিত অনেক অভিভাবক। ছোট বাচ্চারা বাবা-মার কাছে জেদ ধরে টাকা আদায় করে। না দিলে আত্মহত্যার ঘটনা পর্যন্ত ঘটতে পারে। মায়ের সঙ্গে অনেকের বাগবিতণ্ডার জেরে মারামারির মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেই থাকে। একজন অভিভাবক সাংবাদিক আব্দুল জলিল বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবহার করেই তো এসব খেলতে হয়। আর ইন্টারনেট ডাটার যে দাম কি করে পেরে উঠবে অভিভাবকরা? তাছাড়া এই খেলার খেলোয়াড়রা যেভাবে কথা বলে তা দেখলে মনে হবে পাগলের পাগলামিরই প্রলেপ। সারাদিন বকাবকি করে। সারাদিনের এই বকাবকি তাদের ঘুমের ঘোরেও প্রভাব ফেলে। দিনে ব্যবহৃত বিভিন্ন রকমের শব্দ ঘুমের ঘোরেও বলতে শোনা যায়।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষক বলেন, ‘অনেক ছেলে-মেয়েরা অনলাইন ক্লাসের নাম করে নতুন মোবাইল কিনেছে। পক্ষান্তরে অনেক ডিগ্রী কলেজের শিক্ষকেরা মন্তব্য প্রতিবেদনে বলেন আমাদের মনে হয় এভাবে চলতে দেওয়াটা ভালো ফল বয়ে আনবে না। দেশ, সমাজ, জাতি অতিদ্রুত ধ্বংসের কবলে পড়তে যাচ্ছে। ব্লু -হোয়েলের মতো ভয়ঙ্কর রূপ নেওয়ার আগেই এই খেলা বন্ধ করা দরকার। সরকারের উচিত এই ব্যাপারেটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা। তবে জানা যায়, শিক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু তারপরেও এই দুটি গেমে এখনো আসক্ত স্কুল কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থীরা।বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। আলোচনায় ওই দুই গেমের আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম দুটি বন্ধে দুই মন্ত্রণালয় থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে। এটি সত্য যে ওই দুটি গেম কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করেছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই দুটি গেম কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করেছে। কিন্তু হঠাৎ করে বন্ধ করতে গেলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে। তাই ধীরে সুস্থে বিকল্প পদ্ধতিতে গেম দুটি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে হ্যাঁ, যারা এ ধরনের গেমে আসক্ত তারা ভিপিএনসহ নানা বিকল্প উপায়ে গেমটি খেলতে পারে। আমরা সেসবও বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করব।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

পুরাতন খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (রাত ১২:২২)
  • ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
  • ৯ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি
  • ১৭ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (শীতকাল)