ঢাকা শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ২২ বৈশাখ ১৪২৮

সকাল সকাল ভোট গণনা কেন্দ্রে পৌঁছাতে প্রার্থীদের নির্দেশ মমতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩০ এপ্রিল ২০২১ ২০:৪৮
আপডেট: ০৬ মে ২০২১ ০২:২১
সকাল সকাল ভোট গণনা কেন্দ্রে পৌঁছাতে প্রার্থীদের নির্দেশ মমতার ফাইল ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভার নির্বাচনে জিতে ‘ভালো ভাবে’ সরকার গঠনের বিষয়ে আশাবাদী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  শুক্রবার দুপুরে দলীয় প্রার্থীদের নিয়ে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে মমতা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি দলীয় প্রার্থীদের সকাল সকাল ভোট গণনা কেন্দ্রে পৌঁছাতে ও কেন্দ্র না ছাড়ার নির্দেশ দেন। বৈঠকে অংশ নেয়া এক প্রার্থীর বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানায়, ‘দিদি বলেছেন, গণনাকেন্দ্র ছাড়লে চলবে না। মিডিয়ার সঙ্গে বিজেপির বোঝাপড়া হয়ে গেছে। প্রথম দিক থেকেই দেখাবে, ওরা এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ঘাবড়ালে চলবে না। হতাশায় গণনাকেন্দ্রে ছেড়ে আসা ঠিক হবে না। শেষ পর্যন্ত আমরাই জিতব। বিজেপি অনেক রকম বদমাইশি করতে পারে। ওদের পাতা কোনও ফাঁদে পা দেওয়া চলবে না। আমাদের জয় নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। বিভ্রান্তিমূলক প্রচারে যেন কেউ কান না দেন।’ বৈঠকে মমতা আরও নির্দেশ দিয়েছেন, প্রার্থীরা যেন খাতা-কলম নিয়ে সকাল সকাল ভোট গণনা কেন্দ্রে পৌঁছে যান। তারা যেন শেষ পর্যন্ত চেয়ার ছেড়ে না ওঠেন। মমতা প্রার্থীদের বলেছেন, তিনি নিশ্চিত যে, তৃণমূলের প্রচুর আসন আসবে। কিন্তু তৃণমূলের নিশ্চিত জয় হবে, এমন আসনগুলিতে বিজেপি গোলমাল বাধানোর চেষ্টা করবে। তাই প্রার্থীরা যেন সতর্ক থাকেন। কোনও সমস্যা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে যেন দলীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়। মমতা প্রার্থীদের আরও জানিয়েছেন, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার বিশেষত, উত্তরবঙ্গে তৃণমূল প্রথম দিকে হয়তো পিছিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু তার জন্য কোনও প্রার্থী যেন মন খারাপ করে গণনাকেন্দ্রের চেয়ার ছেড়ে উঠে না যান। শেষের দিকে কিছু আসনে তৃণমূলের জয় হবে। তাই আগেভাগে কেউ যেন বেরিয়ে না যান। ভোট গণনাকেন্দ্রের তৃণমূলের এজেন্টদের জন্য দুটি হেল্পলাইন নম্বর দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীদের কোনও সমস্যা হলে যেন তারা সঙ্গে সঙ্গে ফোন করে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানান।প্রার্থীরা কোনো অবস্থাতেই যেন ভোট গণনা কেন্দ্র না ছাড়েন সে নির্দেশ নিয়ে তৃণমূল নেত্রী বলেন, কোনও প্রলোভনে পা দেবেন না। কারও কাছ থেকে সিগারেট বা পানি খেতেও নিষেধ করেন তিনি। বৈঠকের শেষে তৃণমূল নেত্রী মমতা দলের প্রার্থীদের জানান, তৃণমূলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে। রবিবারই শেষ লড়াইয়ের দিন। ফলে মাটি কামড়ে কাজ করতে হবে।

সর্বশেষ সবখবর