ঢাকা শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯

বিএনপির হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেয়া দরকার : প্রধানমন্ত্রীর

সেন্ট্রাল ডেস্ক
০২ আগস্ট ২০২২ ০০:১৯
আপডেট: ১০ আগস্ট ২০২২ ১৪:১৫
বিএনপির হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেয়া দরকার : প্রধানমন্ত্রীর

এফএনএস: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখন দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা হচ্ছে। তার মানে এই নয় যে, এখান থেকে লুটপাট করা হচ্ছে। এক সময় বিএনপি নেতারা হারিকেন নিয়ে আন্দোলন করতো। এখন তাদের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেয়া দরকার। তাদের হাতে হারিকেনই থাকুক, দেশের মানুষকে নিরাপদে রাখবে আওয়ামী লীগ। সোমবার (১ আগস্ট) শোকাবহ আগস্ট মাস উপলক্ষে কৃষক লীগের কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। জনসংখ্যা নিয়ে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের জনসংখ্যা এখন সাড়ে ১৬ কোটি। এই জনসংখ্যার হিসেবও কারো কারো পছন্দ হয় না। কেন? তাহলে তারা নিজেরাই সন্তান জন্ম দিক, আমরা খাবার দেবো। আমরা চাই, প্রতিটি পরিবার সুখী সমৃদ্ধ হবে। আমরা সে কাজটি করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সময় বাংলাদেশ দুর্নীতিতে এক নম্বরে ছিলো। বিএনপির আমলে ভোটের অধিকারই ছিলো না মানুষের। এখন তাদের কাছ থেকে নীতি কথা শুনতে হয়। যারা দেশটাকে সন্ত্রাসের দেশ, জঙ্গিবাদের দেশ, বাংলা ভাইয়ের দেশ বানিয়েছিলো। তারা দেশের টাকা পাচার করেছিলো। সেই টাকা আমরা ফিরে এনেছি। শেখ হাসিনা বলেন, শত কষ্টের পরও কোথাও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি বঙ্গবন্ধু। পূর্ব বাংলার মানুষের কষ্ট তিনি সহ্য করতে পারেননি। ক্ষমতা, পদ-পদবীর লোভের ঊর্ধ্বে থেকে তিনি মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। এসময় তিনি বলেন, বাঙালির বিজয় যে নিশ্চিত হবে তাতে তিনি নিশ্চিত ছিলেন। এ কারণে তিনি কারাগারে থাকা অবস্থায়ও মনোবল হারাননি। অথচ এই আগস্টেই জাতির কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুকে কেড়ে নিয়েছিলেন ঘাতকের দল।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, আমি দেখেছি আমাদের বিএনপি নেতারা হারিকেন নিয়ে আন্দোলন করছে। তো তাদের হাতে হারিকেনই ধরিয়ে দিতে হবে, তাদের সবার হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেন। আর দেশের মানুষকে আমরা নিরাপত্তা দেব এবং দেশের মানুষ যাতে ভাল থাকে সেই ব্যবস্থা নেব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কথা ছিল প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার আমরা দিয়েছি। আজকে বিদ্যুৎ ও জ¦ালানি সাশ্রয়ে বিশে^র প্রত্যেকটা দেশই- আমেরিকা হোক, ইংল্যান্ড হোক বা আমাদের প্রতিবেশী ভারত হোক সকলেই দিকে নজর দিয়েছে। এ বিষয়টা সবার মাথায় রাখতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, যে অপবাদ দিয়ে ১৫ আগস্ট ঘটানো হলো তাহলে দেশের কি পরিবর্তন তারা আনলো সেটা দেখার ইচ্ছ ছিল বলেই আমি কুড়িগ্রামের চিলমারি গিয়ে ৩ মাইল হেঁটে কাদা-পানি মাড়িয়ে, মেঠে পথ ভেঙ্গে সেই বাসস্তীর বাড়ি গিয়ে দেখেছি ছিন্ন কাপড়ে বাসন্তিকে, তার মা অসুস্থ, একটি বেড়ার চালার নিচে কোনমতে পড়ে আছে। তাকে ঘরও বলা যায় না। মাছি ভনভন করছে। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন তাঁর বাবার রক্ত নিয়েওতো বাসন্তীদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি তাহলে কেন হত্যা করা হলো? প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ এ জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর এদেশে খুনী ও যুদ্ধাপরাধীদেও যে রাজত্ব গড়ে উঠেছিল সেভাবে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে।

 

সর্বশেষ সবখবর