ঢাকা রোববার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ৯ আশ্বিন ১৪২৯

বিএনপি-পুলিশের সংঘর্ষে আহত যুবদল কর্মী শাওনের মৃত্যু

সেন্ট্রাল ডেস্ক
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:১৫
আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৩৬
বিএনপি-পুলিশের সংঘর্ষে আহত যুবদল কর্মী শাওনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে পুলিশ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত শহিদুল ইসলাম সাওন (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইসিইউ'র কর্তব্যরত ডা. সাব্বির। তিনি জানান, ২৩ নম্বর বেডে ভর্তি ছিলেন সাওন। চিকিৎসাধীন সেখানে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত সাওনের ছোট ভাই সোহানুর রহমান সোহান জানান, তাদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদরের মীরকাদিম পৌরসভার মুরমা গ্রামে। বাবার নাম ছোয়া আলী ভূইয়া। পেশায় সে মিশুক (অটোরিকশা) চালক ছিলেন। পাশাপাশি মীরকাদিম পৌরসভার যুবদলের কর্মী ছিলেন। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সাওন ছিল বড়। স্ত্রী সাদিয়া আক্তার ও এক বছরের ছেলে আবরারকে নিয়ে গ্রামে থাকতেন। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আহত অবস্থায় সাওনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার মাথায় আঘাত ছিল। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। এরআগে, গতকাল বুধবার মুন্সিগঞ্জ মুক্তারপুর ব্রীজের পাশে পুলিশের সাথে বিএনপির সংঘর্ষ আহত ৩ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আহতরা হলেন জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), তারেক (২০) ও সাওন (২৬)। এদের মধ্যে জাহাঙ্গীরকে মিরপুর ডেন্টাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। আর তারেক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাওনকে জরুরী বিভাগের আইসিইউতে রাখা হয়। এদিকে যুবদল নেতা শাওন ভূঁইয়া নিহতের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে রাজধানী নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে কাকরাইল ঘুরে কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে যুবদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক গোলাম মওলা শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এসএম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াছিন আলী, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবন, সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েক’শ নেতাকর্মীরা অংশ নেন।