ঢাকা রোববার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮

খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার সুযোগ দেয়া উচিত

রাজনীতি
০৩ জুলাই ২০২১ ১৭:৪০
আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২১ ২১:১৮
খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার সুযোগ দেয়া উচিত

খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার সুযোগ দেয়া উচিত বলে সংসদকে জানিয়েছেন বিএনপির বিএনপির সাংসদ হারুন অর রশীদ। শনিবার জাতীয় সংসদে আলোচনায় একথা বলেন তিনি। সকাল ১১টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।হারুন অর রশীদ বলেন, আইনমন্ত্রী একটি বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন। সারাদেশে এটি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়েছে। বিদেশে চিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়া আবেদন করেছেন। উনি কিন্তু মুক্তির জন্য আবেদন করেননি। সেটা উনি (আইনমন্ত্রী) আরেক জায়গায় (৪০১ ধারা) নিয়ে গেলেন।আইনমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সাংসদ হারুন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সামনে বসা আছেন। সব মন্ত্রীরা বলেছেন। সে কথা তো আপনি বললেই পারতেন। এবিষয়ে একমাত্র সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। উনি (প্রধানমন্ত্রী) যদি মনে করেন ৪০১ ধারায় উনার (খালেদা জিয়া) যে আবেদন, সেটা উনি মঞ্জুর ও শিথিত করবেন এবং করতেও পারেন। এটা নিয়ে মাননীয় স্পিকার আমি কোন বিতর্ক করতে চাই না। আমি মনে করি, উনার যে অবস্থা, সেই অবস্থায় উনাকে চিকিৎসার সুযোগ দেয়া উচিত। হারুন অর রশীদ বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য গোটা হাউজকে অপমান করেছে, এটা সংসদে অপসারণ হওয়া দরকার। উনি বলেছেন, হাসপাতালে মিশিন চলে না, চেয়ার, লোক লাগবে, এগুলো তো আপনাদের (এমপি) দেখতে হবে। কিন্তু আপনারা তো সেটি দেখেন না। নার্স, ডাক্তার ও যন্ত্রপাতি লাগলে তো আপনাদেরকেই বলতে হবে। শুধু অভিযোগ দিলে তো হবে না। যা প্রয়োজন আছে তা ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু চেয়ারম্যান হিসেবে এগুলো দেখার দায়িত্ব আপনাদের ওপর বর্তায়।বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, মাননীয় স্পিকার অবজেকশন আছে। আমি আপনার (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) কাছে কপি পাঠিয়েছি। ১০০ বেডের হাসপাতাল করার পরে ২০২০ সালে ১২ ডিসেম্বর মন্ত্রী সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি বরাবর শূন্য পদে চাহিদা দিয়ে একাধিকবার আমি নিজে গিয়েছি। এরপর উনি কিভাবে বলেন। মন্ত্রণালয়ে গিলে উনাকে (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) পাওয়া যায় না। আর উনি এধরণের কথা বলে দিলেন। আমি করি, এই অংশটুকু ইসপানস হওয়া দরকার। গোটা হাউজে তো ৯০ ভাগের বেশি সরকারি দলের এমপি। তারা কি কেউ সরকারি হাতাপাতালে দায়িত্ব পালন করেন না। এটা উনার বক্তব্য স্পষ্ট। ঈদুল আযহার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেজন্য কোরবানির পশু পরিবহন, কোরবানির পশু বিক্রিয় বিষয়ে সরকারের একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ঘোষণা করা দরকার। না হলে এটা নিয়ে একটা সংকট তৈরী হবে।

 

সর্বশেষ সবখবর