ঢাকা রোববার, ১৩ জুন ২০২১, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

সুনীলে হার বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক
০৮ জুন ২০২১ ২২:০১
আপডেট: ১৩ জুন ২০২১ ০৫:২৭
সুনীলে হার বাংলাদেশের সংগৃহিত

৭৮ মিনিট পর্যন্ত ভারতকে আটকে রাখা গিয়েছিল। কিন্তু শেষ ১৩ মিনিটে অভিজ্ঞ সুনীল ছেত্রীর দুই গোলে ম্যাচ বের করে নেয় তারা। গতকাল দোহায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে বাংলাদেশকে ২-০ গোলে হারিয়ে সংগ্রহ ৭ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে আফগানিস্তানকে টপকে তিনে উঠল ভারত। বাংলাদেশ ২ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে। ১৫ জুন ওমানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলবে জেমি ডে’র শিষ্যরা।

ম্যাচের প্রথম সুযোগটা তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। ৯ মিনিটে রহমত মিয়ার লম্বা থ্রো-ইনে অবশ্য ঠিকঠাক পা ছোঁয়াতে পারেননি তারিক কাজী। এরপর থেকেই ভারতীয়দের মুহুর্মুহু আক্রমণ রুখতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ১৫ মিনিটে ব্রেন্ডন ফার্নান্দেজের ডিফেন্সচেড়া থ্রু পাস পেয়ে যান মানভির সিং। গোলকিপার জিকোকে একা পেয়েও অবশ্য ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি। ৩৪ মিনিটে মাসুক মিয়া জনির পরিবর্তে মিডফিল্ডার ইব্রাহিমকে নামান কোচ জেমি ডে। এরপর পরই মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষাকর্তা হিসেবে আবির্ভাব ঘটে সেন্টারব্যাক রিয়াদুল হাসান রাফির। মানভির সিংয়ের কর্নারে চিঙ্গে লসানা সিংয়ের নিখুঁত হেড পোস্টে ঢোকার মুখে গোললাইন থেকে কোনোমতে হাঁটু দিয়ে ক্লিয়ার করেন তিনি। ৩৯ মিনিটে রহমতের আরেকটি লম্বা থ্রো-ইনে তারিকের ব্যাক হেড আয়ত্তে নিতে সমস্যা হয়নি ভারত কিপার গুরপ্রিত সিংয়ের।

প্রথমার্ধে ২ কার্ডের পর দ্বিতীয়ার্ধে আরেকটি কার্ড দেখে বাংলাদেশ। মিডফিল্ডার বিপলু আহমেদ নিজেদের অর্ধে ফাউল করেন সুরেশকে। ৪০ গজ দূর থেকে ব্রেন্ডন ফার্নান্দেজের সেই ফ্রি-কিকে আনমার্কড ভারতীয় অধিনায়ক সুনিল ছেত্রীর হেড পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। এরপরই বিপলুর জায়গায় আব্দুল্লাহকে মাঠে নামান জেমি ডে। ৭৪ মিনিটে আবারও বাজে মার্কিং। আবারও ভাগ্যের জোরে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ব্রেন্ডনের কর্নারে শুভাশিষ সহজেই হেড নেন। তবে পোস্ট ঘেঁষে বাইরে যায়। এরপর মতিন মিয়াকে পাল্টে আব্দুল্লাহকে নামান কোচ জেমি ডে।

শেষ মিনিটে ৭৯ মিনিটে ম্যাচের বন্ধ্যত্ব ঘোচান ৩৬ বছরের স্টাইকার সুনীল ছেত্রী। আশিক কুরুনিয়া বাম দিক থেকে ক্রস ফেলেন। পেছন থেকে দৌেেড় এসে কোনাকুনি হেডে দূরের পোস্টে বল জালে জড়ান। আগের ম্যাচের ড্রয়ের নায়ক তপু বর্মন পারেননি ভারতের অভিজ্ঞ এই খেলোয়াড়কে মার্কিং করতে। যোগ করা সময়ে সুরেশ সিংয়ের কাটব্যাক ধরে ডি বক্সের মাঝখান থেকে ঠা-া মাথায় ডান পায়ের শটে দ্বিতীয় গোলের দেখা পান ছেত্রী।